Ashfaque Abir

কিছু কথা

লেখালিখিতে হাতে খড়ি ছিল না একেবারে। মনের তাগিদ বা অলস অনুভূতির প্রকাশের একটু-আধটু চেষ্টা ছিল, শৈশব কেটেছে মাতামুহুরী নদীর পাড়ে, হয়তবা এ থেকে কিছুটা আনমনা খেয়ালের অনুরণন, শিক্ষা জীবনের প্রারম্ভ ছিল চট্রগ্রাম কলেজিয়েট এর লাল দালানে, নটরডেমের সহশিক্ষায় বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য পড়াশোনা-এ জ্ঞান প্রেক্ষাগৃহে কিছু লিখিয়ে আর পড়িয়ে দেখিয়েছে, যারা লেখার প্রেরণা দিয়েছেন,এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্য পড়াই, – কিছু অক্ষমতা লেখার দায় – এতেও বর্তায় ! ভাব প্রকাশের বালখিল্যতা বা অতি আবেগ যা কিছু বলি! শুধু লিখতে হবেই,এ জন্যই লিখা! বিশুদ্ব সত্ত্বার ব্যর্থ প্রয়াস!


সাম্প্রতিক লিখা সমূহ

প্রফেশনালিজম ও আমরা–: “Keep your Ego so big (elephant size) that you cannot able to take it in your office.” হলের এক ভাই একবার মজা করে বলেছিলেন – ডাকাতি করতে যাইয়া শুধু ডাকাতিই করছে, কাউকে ধর্ষন করে আসে নাই এইটা প্রফেসনালিজম ! – In a good sense professionalism is- “How we do things effectively in spite of emotional barrier “ অনেকটা -A professional is someone who can do his best work when he doesn’t feel like it তবে ,প্রফেশনালিজম আমরা বাঙ্গালিদের ক্ষেত্রে “পরনিন্দা” তে থেমে যায় । পেশাদ্বারিত্বের সাথে আমরা কাজটা করি! কে- কাকে -কিভাবে “কোরবানির বকরী” বানাবে এ নিয়ে লড়াই! ধরুন , অফিসে কেউ আপনাকে বললঃ “আমি তাকে মোটেই সহ্য করি না… অসহ্য লাগে!” একটু পরের দৃশ্য – যাকে নিয়ে বলা … প্রফেশনালিজম এর খাতিরে “ তার সাথে কফি খেতে খেতে গল্প করতে হবে” আহ্লাদে আটখানায় ” আরে ভাই কতদিন দেখিনা” বলতে হবে! সকল প্রফেসনালকে তো এই ”বাই প্রফেসন ইথিক্স ” মেনে চলতেই হয় তাই না? আহমদ ছফা “গাভী বৃত্তান্ত “ বইতে প্রোফেসনাল চাটুকারদের গো -শালা পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছেন… জানি না কবে আমাদের গু –খানা তে যেতে হয়… তবে আমি যা বুঝি- “Professionalism is an art of hipocracisy” টিকিয়া থাকতে হলে হয়তবা কাজ করে যাও … নতুবা ভণ্ডামি করে যাও…! তবে “ অতিকায় হস্তি লোপ পাইয়াছে … তেলা পোকা টিকিয়া আছে… তবে এমন টিকিয়া থাকায় কি “বেঁচে” থাকার স্বাদ পাওয়া যায় ? সিম্পল পলিসি-“ Be a part of system or out of system” তাই আমরা মানুষ থেকে দিন দিন প্রফেশনাল হচ্ছি!